পূর্ব পূরুষদের পূজা এখনো নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে এলাকার করে চলেছে


নিজস্ব সংবাদদাতা; উত্তর দিনাজপুরঃ  কালি পূজার দিন পূজা না হয়ে পূজার পড়ের দিন দিনের আলো শ্যামা মায়ের পূজা রাউত সম্প্রদায়ের মানুষেরা। পূর্ব পূরুষদের পূজা এখনো নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে এলাকার করে চলেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের পুরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের মুহশহর পাড়ার লোকেরা।

 

 

 

এখানে বেশির ভাগ মানুষ দুস্থ্য শ্রেনীর হওয়ার কারোনে অন্যান্য কালি পূজার মতো পূজা না হলেও, নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে করা হয়। এই পূজা কত বছর আগে শুরু হয়েছিল তা ঠিক মতো বলতে পারছেন না এ এলাকার ধ র্ম প্রাণ মানুষজন ।স্বাধীনতার ও আগে কার পূজা বলে জানান এলাকার মানুষ।জানাযায়  গুঞ্জেস্বর রাউত নামে এক ব্যক্তি গানের দল নিয়ে এই এলাকায় গান বাজনা করতে আসত।

 

 

 

সেই সময় মায়ের স্বপ্নাদেশে তিনি ১টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে মায়ের পূজা শুরু করেছিলেন। সেই সময় ঘন জঙ্গল ও হিংশ্র পশু থাকায় আমাবস্যায় কালি পূজার রাতে না করে পরের দিন সকালে পূজা করে। সেই নিয়ম মেনে আজো কালি পূজার দিন পূজা হয় না,পূজার পরের দিন তান্ত্রিক  মতে সকালে পূজা হয় বুড়ি কালির। এমন কি পূজার দিনে মন্দির ঢাক ও মাইক বাজানো পূজা নিশিদ্ধ, এমন কি মন্দিরে কোন প্রকার গান বাজনা হয় না।

 

 

 

তার সাথে সাথে বুড়ি কালি মাতার পূজা কোন পূরহীত করেন না। মায়ের স্বপ্না দেশে ভরত রাউত নামে রাউত সম্প্রদায়ের এক ব্যাক্তি তাও আবার তান্ত্রীক মতে। সময়ের সাথে সাথে এক সময় কার খড়ের চাল ও তাল পাতার বেড়া দিয়ে তৈরি  মায়ের মন্দির এখোন পূর্নাঙ্গ মন্দির তৈরি হয়েছে, ভক্তদের দান করা অর্থে। মা বুড়ি কালি খুব জাগ্রত মায়ের মন্দিরের চার পাশ জুড়ে কয়েকটি স্থান  রয়েছে যা রাউত সম্প্রদায়ের ভক্তরা মায়ের বোন ও মায়ের পরিবারের সদস্য হিসাবে পূজা করে থাকেন। এবছরো বুড়ি কালিমাতার পূজা ভক্তি ও নিষ্টা সহকারে করতে চলেছে রাউত স সম্প্রদায়  মানুষজন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *